স্ট্যাটাস, মিজু আহম্মেদ@ 
একটি লাশ দাফন করে এভাবে স্ট্যাটাস দিয়ে জানাতে হবে তা কখনো ভাবি নি!!!মানুষের মাঝে মানবিকতা জাগাতে এতটা গলদঘর্ম হতে হবে,তা কখনো জানা ছিল না!!!
সকাল থেকেই নানা বাধা-বিপত্তি আর নানা নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে আজ রাত পৌনে ০৮ টার সময় জথাজথ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে পুলিশের উদ্যোগেই লাশের দাফন সম্পন্ন করা হলো!!
দাফনকাজে বাধা দেওয়ার খবর শোনা মাত্রই  পুুুুলিশ সুুুুপার আলী আশরাফ স্যার সাধারণ মানুষকে বুঝানোর জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন এবং আমাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য অতিরিক্ত ০২ প্লাটুন স্পেশাল আর্মড ফোর্স প্রেরণ করেন।
কয়েকজন দুষ্ট লোক এলাকায় ভুল বুঝিয়ে কয়েক হাজার লোক জড়ো করেন!! শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান মানুষকে বুঝিয়ে ঘরে ফেরান। কিন্তু কবর খোড়ার লোক কোথায়??? শিবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই মোস্তাফিজ আর এস আই আহসান আরো দুই জনকে সাথে নিয়ে শুরু করেন কবর খুড়তে!!
এর মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যান রিজু ভাই আর ইউএনও,  আলমগীর ভাই এসে ও আমাদের প্রচুর সহজোগিতা করেন।
অবশেষে লাশ দাফন হলো!!
একজন ব্যক্তি পেল তার মৃতদেহের সঠিক মর্জাদা।
আমরা দূর থেকে দাড়িয়ে দোয়া পড়লাম।
উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে মোনাজাত করলেন!
দোয়া করার সময় ও আমাদের পুলিশ সদস্য, ইউএন,   উপজেলা চেয়ারম্যান আর উৎসাহি কয়েকজন ছাড়া আর কেউ ই ছিলেন না!!
দিনভর যারা পুলিশের রাস্তা আগলে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের অনেকেরই জোহর,আসর আর মাগরিবের ওয়াক্ত পেরিয়ে গেছে রাস্তার উপরেই!!!!
মরে যাবো, সেই ভয়ে আমরা ভীত!
অথচ মরণের পরের হিসেব টুকুর ভাবনাটুকু কি আমরা ভাবছি???
এই এক ই ঘটনা কাল আপনার ক্ষেত্রে ঘটলে কেমন লাগবে তা কি একটু ভেবে দেখবেন???
#সচেতনথহোনথমানবিকথহোন
#ঘরেথথাকুনথনিরাপদথথাকুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here