এই ল্যান, ২০০ ট্যাকায় ১০০ লেচু

0
437

সুমন সরদার, নিজস্ব প্রতিবেদক:

৭ বছরের ছেলে তানহা সামির বায়না ধরে বলল বাবা লিচু খাব এনে দাও। ঠিক আছে আব্বু, পেলে অবশ্যই আনব। বেরিয়ে পড়লাম বাজারের উদ্দেশ্য।

শহরের কাঁঠালতলা মোড়ে পৌঁছাতেই চোখ কপালে। হাত উচু করে চেচিয়ে বলছে, এই ল্যান আলিয়ার বাগানের লেচু খালি ২০০ ট্যাকা শও।

সুস্বাদু খেতে সুমিষ্ট এই ফল ইফতারে নতুন আইটেম। রসালো এই ফল অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। যদিও বাজারে এবার কাঠল, আম-জাম এখনো নেই, তারপরেও লিচু একটা বাড়তি ফল যোগ হলো।

শুক্রবার থেকে বগুড়া শহরের বাজারে আসতে শুরু করেছে লিচু। বিকিকিনি হচ্ছে ২২০টাকায় তবে দর করলে ২০০টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এই অঞ্চলের লিচু নামতে এখনো দেরি। তারপরও যশোর জেলা থেকে পর্যাপ্ত লিচু বাজারে আসতে শুরু করেছে।

আর চায়না থ্রী লিচু ঈদের পর নামতে পারে বলে ধারনা করছেন ব্যবসায়ীরা। লিচু নামার প্রথম দিন একদিকে শুক্রবার, অন্য দিকে লোকজন তেমন বের হয়নি ফলে বেচাকেনা কম ছিল তাই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লসে ছিল।

উত্তর চেলোপাড়ার লিচু বিক্রেতা হিরো মুখে হাসি নিয়ে দৃষ্টি ২৪.কমকে জানান, শনিবার সকাল থেকেই শহরে লোকজন বেশি নামছে। আজ বিক্রী হচ্ছে ধুমসে।

হিরো আরও জানাল, করোনা পরিস্থিতিতে ভাই পেট চলা কঠিন। আবার সামনে ঈদ। আমাদের মত গরীবের পেট চলেনা, ঈদের কেনাকাটা তো দুরের ব্যাপার। বেচাকেনার সুযোগ থাকলে দিন চলা সহজ হবে। যদিও মাঝে মধ্যে দোকান তুলে দেয়। তাই দৌড়ের ওপর থাকতে হয়।
এদিকে হকার্স মার্কেট, চাঁদনী বাজার, পুকুরপাড় নিউ মার্কেট, নিউ মার্কেটের বেশ কিছু অংশজুড়ে এবং শহরের ভিআইপি এলাকা জলেশ্বরীতলায়, বেশ কিছু দোকানপাট সীমিত আকারে খোলা দেখা গেছে।

নিউ মার্কেটের বেবী কালেকশান ব্যবসায়ী সুধাংশু জানান, অল্প অপরিসরে দোকান খুলেছি। বেচা কেনা মোটামুটি। তবে ব্যবসায়ী সমিতি থেকে সিদ্ধান্ত দিলে তখন আমরা হয়ত ভালভাবে ব্যবসা করতে পারব। এ পরিস্থিতিতে আমরাও উদ্বিগ্ন সংকিত। তবে কোথাও সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। স্বাস্থ্যবিধী অনুস্মরণ বিষয়েও জানেনা অনেক ব্যবসায়ী।
আসন্ন ঈদে মার্কেট নিয়ে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৃষ্টি ২৪.কমে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here