করলা ক্ষেতের সাথে শত্রুতা!

0
199

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিনপাড়া গ্রামে মোস্তফা কামাল (৩৫) নামে এক দরিদ্র কৃষকের জমির করলা ও শিমের মাঁচায় রাতের আঁধারে আগাছানাশক ঔষধ ছিটিয়ে ফসল নষ্ট করেছে এক দূর্বৃত্ত।

এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে কৃষক মোস্তফা কামাল শাজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মোস্তফা কামাল উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়া গ্রামের মগরেব আলীর ছেলে।

মোস্তফা কামাল জানান, তিনি রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়া গ্রামের জলপাইতলা ঈদগাহ মাঠে পাশে জনৈক এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ শতক জমি পত্তন নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। বর্তমানে ওই জমিতে করলা ও শিমের চাষ করা হয়েছে। করলা গাছে প্রচুর ফলন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে জমিতে করলা তুলতে গিয়ে দেখেন সমস্ত করলা ও শিমের গাছ শুকিয়ে মরে গেছে। শত্রুতা করে আগাছানাশক ঔষধ ছিটিয়ে দেয়ার কারণেই এক রাতের মধ্যে গাছগুলি মরে গেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, পাশের জমির মালিক একই গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আজিজুল হক (৩৬) শত্রুতা করে রাতের আঁধারে তার করলা মাঁচায় আগাছানাশক ঔষধ ছিটিয়েছে। স্থানীয় লোকজন রাতের বেলা আজিজুল হককে স্প্রে মেশিন দিয়ে ঔষধ ছিটাতে দেখেছেন। গত বছরও তার শিমের গাছ কেটে ছিল আজিজুল হক। সেসময় স্থানীয় ভাবে বিচার শালিশে আপোষ মিমাংসা করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আজিজুল হক একজন বখাটে লোক। অন্যের জমির ফসল নষ্ট করাই তার কাজ। তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া দরকার। জানাজানি হওয়ার পর থেকে আজিজুল হক পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয়রা বলছেন আজিজুল হকই করলা মাঁচায় আগাছানাশক ছিটিয়েছে। গত বছর এরকম একটি ঘটনায় অপরাধ স্বীকার করায় স্থানীয় বৈঠকে আজিজুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন মোস্তফা কামাল। আজিজুল হকের বিরুদ্ধে এরকম অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই মোস্তফা কামালকে আইনের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

এবিষয়ে আজিজুল হকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here