করোনা কি শুধু মার্কেটে ঢোকে….!

0
83
সুমন সরদার

সব খোলা, গাড়ি চলছে, অন্য ব্যবসা হচ্ছে, হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা, অফিস-ব্যাংক সব খোলা, মানুষ রাস্তাঘাটে চলাচল করছে। করোনা কি শুধু মার্কেটে ঢোকে, না মার্কেট খোলা থাকলে করোনা বাড়বে? এমন প্রশ্ন বগুড়ার বিক্ষোভকারী ব্যবসায়ীদের।

সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, আমরা তা পালন করব অবশ্যই, তবে আমাদের পেটে লাথি মেরে সব খোলা থাকবে এ কেমন নীতি।

নিষেধাজ্ঞা আরোপের ৩য় দিনে বগুড়ার চিত্র পাল্টে গেছে। ১ম দিন লকডাউন/ নিষেধাজ্ঞা মানলেও পরের দিন থেকে এপর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা মানার কোন প্রবণতাই চোখে পড়ার মত নয়। শহরের ঐতিহাসিক সাতমাথায় যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসাধারণ হুমড়ি খেয়ে নেমেছে।

মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। যদিও করোনার সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, মৃত্যুর হারও বেড়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে যে যার মত করে চলাচল করছে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও, অভ্যন্তরিন যান চলাচল বৃদ্ধির ফলে শহর ও শহরতলীতে ব্যাপক যানজট তৈরি হচ্ছে।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে ২য় বারের মত বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও ডিসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বগুড়ার কয়েকটি মার্কেট এর ব্যবসায়ী, মালিক ও শ্রমিক নেতা আর কর্মচারীরা।

নিউ মার্কেট এর কিছু অংশ, রেলওয়ে আদর্শ মার্কেটের কিছু অংশ, আল-আমিন কমপ্লেক্স, শেখ শরীফ উদ্দিন, টিএমএসএস মোবাইল মার্কেট খোলা দেখা গেছে।

ব্যবসায়ী লূৎফর রহমান, মোকছেদ, শেখর, শাহিনসহ কয়েকজন দৃষ্টি ২৪.কমকে বলেন, আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখতে চাই। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। আমাদের দাবি অযৌক্তিক নয়। আমরা ইনভেস্ট করেছি। হাজার হাজার কর্মচারীরা তাদের পরিবার চালায়, তাদের পেটে লাথি মেরে কার কি লাভ হবে। আমরা আন্দোলন চালাব দাবি না মানা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত চালাচ্ছে। তারপরও নিষেধাজ্ঞা না মানার প্রবণতা বেড়েই চলেছে।

বগুড়া ট্রাফিক বিভাগের টিআই প্রশাসন রফিকুল ইসলাম দৃষ্টি২৪ ডটক’কে জানান, আমরা চেষ্টা করছি যানজট নিরসনে। অটোরিকশা-ইজিবাইক, মোটরসাইকেল শত-শত আটকের পরও শহরে যানজট কমানো যাচ্ছেনা। তবে দীর্ঘ জট নাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here