বগুড়ার মানবিক এক শিল্পপতি মাসুদুর রহমান মিলন

0
847
মুশফিকুর রহমান রিয়াদ ও একে আজাদ:
করোনা সংকট চলাকালে নিরবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বগুড়ার চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন সিআইপি। শুধু সাহায্য সহায়তাই নয়, কর্মের পথ সুগম করতে বেকার যুবকদের আত্বনির্ভরশীল গড়ের তুলতে প্রশিক্ষনের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তাসহ করোনা কালীন সময়ে চিকিৎসা সেবা, ক্রীড়াঙ্গন ও শিক্ষা খাতেও সহায়তা ছিল অপরিসীম। দলমত নির্বিশেষে সকলের পাশেই থেকেছেন তিনি।
বাবা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন। যিনি বগুড়া আওয়ামী লীগের দুই যুগের বেশিসময় ধরে সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন। তার দুই সন্তানের মধ্যে দ্বিতৃীয় ছেলে মাসুদুর রহমান মিলন।
এই মাসুদুর রহমান মিলন একজন ক্লিন ইমেজ ব্যক্তিত্ব। যিনি রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী জিবনে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন বারংবার। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে পরপর ৯বার সেরা করদাতা হিসেবেও নির্বাচিত হন।
দেশের করোনা পরিস্থিতি যখন প্রকোপ হতে শুরু করলো, লকডাউনে যখন খেটে খাওয়া মানুষ দিশেহারা। সকল পেশার মধ্যবিত্তদের দুবেলা পেট ভরে খেতে নাভিশ্বাস হয়ে উঠে। প্রধানমন্ত্রী দেশের এই সংকটকালে মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য রাজনৈতিক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সমাজকে পাশে দাড়ানোর আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এই আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি গড়ে তোলেন মমতাজ-মাসুমা ফাউন্ডেশন। যার অর্থ তিনি ব্যক্তিগত তাহবলি থেকে জোগান দেন। প্রথম দফায় সেই অর্থের পরিমান ১৪লাখ ৪৫ হাজার ৪৩৬ টাকা। ওই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি নেমে পড়েন মানবকল্যানে মানুষের সেবায়। রাত-দিন খাবার সহায়তা দিতে ঘুরে বেড়িয়েছেন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে। মুখে দুবেলা খাবার তুলে দিতে পিছ পা হননি তিনি।
করোনকালীন সময়ের প্রথম দিকে দুই দফায় অসহায় ১০হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন তিনি। সহায়তার মধ্যে ছিল ৫কেজি চাল, ১কেজি ডাল, ২কেজি আলু, আধাকেজি তৈল এবং নগদ ১০০শত টাকা।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন বগুড়া মোহাম্মদ অলী হাসপাতাল এবং বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রাফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে রোগেীদের মাঝে নিয়মতি ফুলমুল বিতরন করেন তিনি।
এছাড়াও রাতদিন করোনা রোগীদের সেবা অব্যহত রাখতে বগুড়া মোহাম্মদ অলী হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের খাবার বাবদ ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার সহায়তা দেন তিনি।
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারর্স অ্যান্ড ইন্ডান্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক মাসুদুর রহমান মিলন করোনাকালীন সময়ে সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন (র‌্যাব) ও পুলিশ সদস্যদের মাঝে। করোনাকলীন এই সম্মুখ যোদ্ধদের মাঝে তিনি পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইমপেন্ট(পিপিআই) এবং মাস্কও প্রদান করেন তিনি।
অর্থ কষ্টে থাকা নন-এমপিওভুক্ত ১৩০জন শিক্ষককে জনপ্রতি নগদ ৩ হাজার টাকা দেন তিনি। এছাড়াও অসচ্ছল খেলোয়ারদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করেন তিনি। মেধাবি শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদানও অব্যহত রেখেছেন মিলন।
আওয়ামী লীগের অচ্ছল নেকাকর্মীদেরও নগদ ৩ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি সামল দিতে তিনি বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষে বগুড়া চেম্বারের উদ্যোগে জামানাত ও সুদ বিহীন লোন দেন মাসুদুর রহমান মিলন।
বগুড়ার চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন সিআইপি বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য‘ এই মানবিক মূল্যবোধ থেকে অসাহায় ও অচ্ছল মানুষের পাশে থাকার এই চেষ্টা অব্যহত থাকবে। বেকারত্ব দূরীকরণে তরুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিই আমার মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে অংশিদার হয়ে সবসময় কাজ করে যাবো।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here