দৃষ্টি২৪ডেস্ক: রোববার থেকে শর্ত সাপেক্ষে নাটকের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। কিছু সংখ্যক শিল্পী-কলাকুশলী, প্রযোজক নাটক নির্মাণ করার অভিপ্রায়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনে অনুরোধ করেন।

তারই প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার সংগঠনটির জরুরি সভায় শর্ত সাপেক্ষে শুটিংয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এদিকে চলতি করোনা পরিস্থিতিতে নাট্যাঙ্গনের কিছু নির্মাতা-অভিনয়শিল্পী শুটিংয়ের পক্ষে রয়েছেন, আবার অনেকে এর বিপক্ষেও। কারণ করোনার সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। চলছে সাধারণ ছুটি। সবাইকে বাসায় থাকার জন্যও বলা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীও বাসা থেকে বের হয়ে শুটিং করতে রাজি নন। এখনো বাসা থেকে বের হয়ে শুটিং করার মতো স্বাভাবিক অবস্থা হয়নি বলে মনে করেন তিনি। এ অভিনেত্রী বিষয়টি প্রসঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আমি এখন শুটিং করবো না। এটাই আমার সিদ্ধান্ত।

করোনার এই সংকটকালে কাজ নিয়ে আপাতত ভাবছি না। এ অভিনেত্রী অপেক্ষায় আছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার। মেহজাবিন আরো বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কাজ করা যাবে। কিন্তু তার আগে তো বাঁচতে হবে। সবকিছু ঠিক হলে তবেই শুটিং নিয়ে ভেবে দেখবো।

এ মুহূর্তে আসলে কাজ নিয়ে একদম ভাবছি না। মনমানসিকতাও নেই। ভাবনায় শুধু এই পরিস্থিতি। কবে যে সবকিছু ঠিকঠাক হবে, তা নিয়েই চিন্তায় আছি। এদিকে ঈদ কিংবা উৎসবে মেহজাবিন চৌধুরীর নাটক-টেলিফিল্ম মানেই বিশেষ কিছু। টানা মে মাস পর্যন্ত প্রায় দুই ডজন নাটক-টেলিফিল্মে কাজ করার কথা ছিল তার। কিন্তু করোনার তান্ডবে ঈদুল ফিতরের তেমন কোনো কাজই করতে পারেননি তিনি। লকডাউনের আগে সর্বশেষ পরিচালক মিজানুর রহমান আরিয়ানের একটি কাজ করেছিলেন।

‘উপহার’ নামের এ কাজটি ঈদে একটি ইউটিউব চ্যনেলে প্রচার হবে। এছাড়া মেহজাবিনের অভিনয়ে এই নির্মাতার আরো আগে করা কয়েকটি নাটক-টেলিফিল্মও ঈদুল ফিতরে প্রচার হতে পারে। তবে ঈদে তার কতগুলো কাজ প্রচার হবে তা এখনি বলতে পারছেন না বলে জানান। এদিকে বর্তমানে বাসায় বসে ইউটিউবেই সরব রয়েছেন তিনি। চলতি রমজানে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বেশ কিছু রেসিপির ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here