রোদ-বৃষ্টি অপেক্ষা করে শাজহানপুরে টিকা কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে শতশত মানুষ

0
79

শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি:

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম ধাপে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল থেকে রোদ-বৃষ্টি অপেক্ষা করে টিকাকেন্দ্রে গুলোতে টিকানিতে আগ্রহী নারী ও পুরুষ সংখ্যা বাড়তে থাকে।

শনিবার সকাল ৯ টায় উপজেলা খরনা ইউনিয়নে টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ভিপি এম সুলতান আহম্মেদ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেফাজত আরা মিরা,সহকারী কমিশন ভূমি আশিক খান,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোতারব হোসেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলীপ কুমার চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি একেএম জিয়াউল হক জুয়েল,সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান প্রমুখ।

উপজেলা ভ্যাকসিন কমিটির তথ্য মতে,
প্রথম ধাপে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে ৬০০টি টিকা টোকেন ধারীকে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।প্রতিটি ইউনিয়ন ১ কেন্দ্রে ৩ টি বুথে মাধ্যমে টিকা দেওয়া হয় । টিকাকার্যক্রমে প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ জন টিকাদানকর্মী ও তাদের সহযোগিতা করার জন্য ৯ জন স্বেচ্ছাসেবক দ্বায়িত্ব পালন করছে।উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে সকল কর্মকর্তা কেন্দ্র ভিত্তিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

সরেজমিনে বেশকয়েক টিকাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষ চেয়ে নারীদের টিকা নিতে আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মত দুপুরে প্রখর রোদ মধ্যে টিকার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবগুলো কেন্দ্রে টিকা নেওয়ার পর বিশ্রামের ব্যবস্থা করেছে।

এ সময় টোকেন ছাড়া টিকা নিতে আগ্রহী অনেক তরুণ তরুণী ও বয়স্ক নারী পুরুষ টিকা না পেয়ে ফেতর যেতে দেখা গেছেন।

আমরুল ইউনিয়ন নগর মাদ্রাসা কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা রেহেনা বেগম বলেন, সকাল সাড়ে ৯ টায় টিকা নিতে মাঠের মধ্যে রোদে দাঁড়িয়ে ছিলাম।মহিলাদের ভীড় একটু বেশি, একটু আগে ইউএনও স্যার এসে বারান্দায় বসার ব্যবস্থা করলেন।

গোহাইল ইউনিয়নের আফজাল হোসেন বলেন,স্থানীয় ইউপি সদস্য কাছ থেকে টিকা টোকেন আর ভোটার কার্ডের ফটোকপি নিয়ে টিকা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি আর কতক্ষণ পরে টিকা নিতে পারবো বুঝতে পারছি না।

মাদলা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী সঙ্গে কথা হয় দুপুরে তিনি জানান একটু আগে টিকা নিয়েছি। স্বাস্থ্য কর্মীরা বিশ্রাম করতে বললেন তাই বিশ্রাম করছি।

উপজেলা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।প্রথম পর্যায়ে যারা টোকেন পেয়েছেন তারাই ভ্যাকসিন পাচ্ছে।
এ সময় তিনি, বাকিদের ধৈর্য ধারন করার জন্য অনুরোধ করেন। পর্যায়ক্রমে সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়া আশ্বস্ত করেন।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু উপজেলা বাসীকে করোনা মহামারী থেকে সুরক্ষার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। আরও বলেন দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রী এই ভালবাসা দায়িত্ববোধ চিরস্বরনীয় হয়ে থাকবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here