শাজাহানপুরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাদিকে স্ব-পরিবারের হত্যার হুমকির অভিযোগ

0
426

সুমন সরদার:

জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলার বাদি বিধবা নারীসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমিকর অভিযোগ উঠেছে অসামি শহদিুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর গ্রামের নতুনপাড়া এলাকায়।

জিবনের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা বগুড়ার নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ‘ক’ অঞ্চল আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৭ ধরায় আবেদন দাখিল করেছে মামলার বাদি বিধবা মাকছুদা পারভীন।

মামলার বিবরনে জানাগেছে, বিধবা মাকছুদা পারভীন। স্বামী মৃত্যু শাহিনুল ইসলাম। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরীকালীন সময়ে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু বরন করেন। তার দুই কণ্যা নিয়ে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর গ্রামের নতুনপাড়ার মানবেতর দিনযাপন করছেন।

গত ১৮ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি সামনে রাস্তায় ইট বিছানোকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের হাতে হামলা এবং শ্লীলতাহনীর শিকার হন বিধাবা মাকছুদা পারভীননহ তার দুই কলেজ পড়ুয়া দুই কণ্যা।
এঘটনায় মাকছুদা পরভীন ওইদিনই বাদি হয়ে প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম (৪২), তার ভাই ফারুক হোসেন (৪৬), এরশাদ (৩২), শহিদুলের স্ত্রী মিতু বেগম (৪৬), ফারুকের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩৭) গনের বিরুদ্ধে।

মাকছুদা পরভীনের মামলার পেক্ষিতে শাজাহানপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওইদিন বিকেলে মালা ১ নং আসামি শহিদুল ইসলাম এবং ৩নং আসামি এরশাদকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
আদালত থেকে আসামিরা মুক্তি পেয়ে মামলার বাদি বিধাব মাকছুদা পারভীন এবং তার কলেজ পড়ুয়া কণ্যাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদান করছেন। মামলা তুলে না নিলে মিথ্যা মামলায় ফাসানোসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছেন আসামি শহিদুল ইসলামসহ সকলেই।

অসহায় হয়ে মামলা বাদি বিধবা মাকছুদা পারভীন জিবনের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা বগুড়ার নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ‘ক’ অঞ্চল আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৭ ধরায় আবেদন দাখিল করেছেন। যাহার মোকাদ্দামা নং ২৪১ পি/২০ (শাজা)।

এ বিষয়ে বিধবা মাকছুদা পারভীন জানান, জামিনে মুক্ত হওয়া পর থেকে আসামি শহিদুল ইসলাম দলবল নিয়ে কয়েক দফা হুমকি দিয়েছে, যেন মামলা প্রত্যাহার করে নেই।

তিনি আরও জানান, স্বামীকে হারিয়ে দুই কণ্যা সন্তানকে নিয়ে কোনমতো বেঁচে আছি। সন্তানেরা লেখাপড়া করছে। কিন্তু সামন্য ঘটনা নিয়ে শত্রুতা এমন হয়েছে যে, যেকোন সময়ে আমার এবং আমার সন্তানদের উপর হামলা চালাতে পারে আসামিরা। এজন্য আদালতের স্মরনাপন্য হয়েছি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাজাহানপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল্লাহ আল-মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মালাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আর বাদি আদালতে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন দিয়েছেন বিষয়টি জানা নেই। তবে বাদিকে হুমকি দিয়ে থাকলে বিষয়টি আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here