শাজাহানপুরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাদিকে মামলা প্রত্যহারের হুমকির অভিযোগ

0
228
স্টাফ রিপোর্টার

জামিনে মুক্তি পেয়ে হত্যার চেষ্টা মামলার আসামি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদিকে প্রানাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বারআঞ্জুল টুনিপাড়া এলাকায়।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, উপজেলা বারআঞ্জুল গ্রামে পাঁচুনিয়া নামের একটি বিশাল পুকুর রয়েছে। আর এই পুকুরটির মালিক ওই গ্রামের অর্ধশতাধিক জনসাধারন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী পুকুরটির পুকুরটির সকল মালিকগন একত্রিত হয়ে সংস্কার কাজ সরুপ বাঁধ নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন।

সর্ব সম্মতিক্রমে পুকুরে বাঁধ নির্মানের জন্য চুক্তি দেয়া হয় ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ইউনুস আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৩৫) কে। আর বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয় পুকুর মালিক পক্ষের আবু নাইম নামের এক যুববকে।

গত ৩এপ্রিল বাঁধ নির্মানের পরিদর্শনে যান আবু নাইম সহ আরো কয়েকজন পুকুর মালিক। এসময় বাঁধের কাজে অনিয়ম দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে মিজানুর রহমান রহমানকে কাজটি ভালোভাবে করার জন্য পরামর্শ দেন। এনিয়ে মিজানুর আর নাইমের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে শাবল দিয়ে নাইমের মাথায় আঘাত করে মিজানুর। সাবলের আঘাতে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে যায় পুরো শরীর। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নাইম। গুরুতর আহতবস্থায় নাইমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল থেকে সুস্থ্য হয়ে গত ১৭মার্চ শাজাহানপুর থানায় মিজানুরসহ দুইজনকে আসামিকরে মামলা করে নাইম। পরদিনই থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামি মিজানুরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

আসামি মিজানুর গত ১৮মার্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলা প্রত্যাহার বা আপোষ করার প্রস্তাব দেয়। মামলার বাদি নাইম তার এই আপোষের প্রস্তাব রাজি না হওয়ায় প্রাননাশের হুমকি-ধামকি দেয় মিজানুর।

মামলার বাদি আবু নাইম বলেন, আপোষ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মিজানুর দলবল নিয়ে মোটরসাইকেলে প্রায়ই আমার বাড়ি সামনে মহাড়া দিচ্ছে। বিষয়টি থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছি।

শাজাহানপুর থানার এএসআই আতিকুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিনে মুক্ত মামলার আসামি মিজানুর রহমানের সাথে মুঠোফেনে যোগাযোগ করা হলে তিনি হুমকি-ধামকি বা বাদিকে আপোষের প্রস্তাব, এমন সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামিন আদালত দিয়েছে। তাই আদালতেই বিষয়টি সমাধান হবে।

এবিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here